<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><?xml-stylesheet type="text/xsl" href="https://uponnas.com/wp-content/themes/uponnas/assets/feed.xsl?ver=1.5.7"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>কল্পকথা &#8211; উপন্যাস</title>
	<atom:link href="https://uponnas.com/category/kolpokotha/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://uponnas.com</link>
	<description>শব্দে গাঁথা স্মৃতির বিশ্ব</description>
	<lastBuildDate>Sun, 18 Oct 2026 03:44:11 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	

<image>
	<url>https://uponnas.com/wp-content/uploads/2026/04/cropped-Uponnas-logo-1-150x150.png</url>
	<title>কল্পকথা &#8211; উপন্যাস</title>
	<link>https://uponnas.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>অভিশপ্ত জীবন</title>
		<link>https://uponnas.com/ovishopto-jibon/</link>
					<comments>https://uponnas.com/ovishopto-jibon/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md. Siddiq Hasan]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Oct 2026 11:02:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কল্পকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uponnas.com/ovishopto-jibon/</guid>

					<description><![CDATA[পাহাড় থেকে পড়ে বন্ধুটা মারা গেল, আর তিনি হারালেন হাঁটার ক্ষমতা। এখন বিছানায় শুয়ে দিন কাটে, আর একসময়ের আদরের ছেলেটা একটু একটু করে দূরে সরে যায়। একটি ছোটগল্প।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ&#8230;</p>



<p class="wp-block-paragraph">ওই সকাল সকাল শুরু হয়ে গেল ডাকাডাকি। আর ভালো লাগে না। বিরক্তির স্বরে বলল, কী হলো? আসছি।</p>



<p class="wp-block-paragraph">বাবা, আমার চশমাটা একটু দিয়ো তো, কেন খুঁজে পাচ্ছি না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তোমার বিছানার পাশেই আছে। আর কিছু?</p>



<p class="wp-block-paragraph">না বাবা, আর কিছু না।</p>



<p class="wp-block-paragraph">তাহলে গেলাম আমি, আমার অনেক কাজ আছে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ছেলেটার এমন ব্যবহার মাঝে মাঝে খুব কষ্ট দেয়। অথচ যখন হাঁটতে পারতাম, তখন কী ভালোবাসত আমাকে! কাজ থেকে বাসায় ফিরলে আমাকে জড়িয়ে ধরে কত গল্পই না বলত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু কেমন যেন বদলে যায়। আমাদের কাছে সন্তানেরা জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলেও তাদের কাছে আমাদের মূল্য হয়তো দাবা খেলার বড়ের (pawn) সমান, বা তার চেয়েও কম। তবু কিছুই করার নেই, সবই নিয়তি। সবকিছু এভাবেই চলে আসছে, এভাবেই চলবে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">চশমাটা পরতেই ফোনের নোটিফিকেশনগুলো চোখের সামনে স্পষ্ট হলো। এতক্ষণ আবছা ছিল, অনুমান করে পড়ছিলাম। ব্যাংক থেকে টাকা তোলা হয়েছে। হয়তো সে-ই তুলেছে, তবে পরিমাণটা গত মাসের চেয়ে অনেক বেশি মনে হলো। এভাবে টাকা তুলতে থাকলে আর কয়েক মাসের মধ্যেই টাকা শেষ হয়ে যাবে। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা খুব শিগগির করতে হবে, নইলে সংসার খরচ চালানো কষ্টকর হয়ে উঠবে। আজ পা দুটো ঠিক থাকলে এই নিয়ে কোনো চিন্তাই করতে হতো না। কিন্তু ওই যে, নিয়তির খেলা। যখনই পায়ের কথা মনে হয়, সব ঘটনা যেন চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বন্ধুটার জন্য দুঃখ হয়, প্রচণ্ড দুঃখ।</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমি আর আমার বন্ধু একসঙ্গে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, এমনকি চাকরিও করতাম একই কোম্পানিতে। এক প্রজেক্টের কাজে আমাদের এক টিম নিয়ে পাহাড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কীভাবে যেন পা পিছলে একজন আমাদের ওপর এসে পড়ল। সামাল দিতে না পেরে আমরা পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচে পড়ে গেলাম। উচ্চতা বেশি না হলেও পাথুরে জায়গায় পড়ায় আমার সেই বন্ধু সঙ্গে সঙ্গেই মারা গেল, আর আমি প্রাণে বেঁচে গেলেও স্পাইনাল কর্ডে গুরুতর আঘাতে চিরতরে হাঁটাচলার ক্ষমতা হারালাম। এখনো মনে পড়ে, সে আমাকে ধরার চেষ্টা করতে গিয়েই আমার সঙ্গে পড়ে যায়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">হঠাৎ ঘরের দরজা খুলে যায়। সে এসেছে। তাকে দেখে একটু অবাক হই, কারণ ইদানীং সে আমার কাছে খুবই কম আসে। এসেই বলতে শুরু করল, তোমার ব্যাংকের টাকা শেষ, আর মাত্র কয়েক হাজার টাকা আছে। কীভাবে কী করবে? অন্য কোনো অ্যাকাউন্টে টাকা আছে কি?</p>



<p class="wp-block-paragraph">এখানে বিছানার পাশে একটু বসো, অনেক ক্লান্ত দেখাচ্ছে তোমাকে। মনে হলো বলি, কতদিন ভালোমতো তোমাকে দেখি না, কিন্তু বলার আগেই সে বলে উঠল:</p>



<p class="wp-block-paragraph">আমার বসার সময় নেই, বাড়ির অনেক কাজ বাকি, আমি আসি। বলেই চলে গেল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এমনটা বলবে, আশা করেছিলাম। অথচ এই তিন বছর আগেও রাতে বাড়ি ফিরে সব কাজ ফেলে আমার কাছে এসে বসে থাকত। বলত, কাজ পরে হবে, আগে বলো সারাদিন কেমন গেল। আগে সে-ই আমার যত্ন নিত। এখন আমাকে দেওয়ার মতো সময় তার হয় না বলে গত বছর একটা কাজের লোক রাখল, টুকটাক যা লাগে করে দেয়। একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে, অন্তত তার অবহেলার ব্যবহারটা কম দেখতে হয়।</p>



<p class="wp-block-paragraph">এখন অবশ্য সারাদিন মোবাইলেই সময়টা কেটে যায়, ভালোই। আগে বই পড়তাম, এখনো পড়ি, তবে মোবাইলে। বই কেনার টাকাটা বাঁচে।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সবকিছুই সময়সাপেক্ষ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uponnas.com/ovishopto-jibon/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সেকেন্ডের কাঁটা</title>
		<link>https://uponnas.com/seconder-kata/</link>
					<comments>https://uponnas.com/seconder-kata/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md. Siddiq Hasan]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Oct 2026 10:50:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কল্পকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uponnas.com/seconder-kata/</guid>

					<description><![CDATA[সেকেন্ডের কাঁটা ভেবেছিল সে-ই ঘড়িটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। খুলে পড়ার পর দেখল, ঘড়ি তাকে ছাড়াই দিব্যি চলছে। তারপর সে কী করল, তা নিয়ে দুই পর্বের একটা ছোট রূপক।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h2 class="wp-block-heading">পর্ব ১</h2>



<p class="wp-block-paragraph">সেকেন্ডের কাঁটা মনে করেছিল, সে একাই হয়তো মিনিটের কাঁটা আর ঘণ্টার কাঁটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। সে না থাকলে ঘড়ি অচল, ঘড়ি চলতেই পারবে না। কিন্তু আজ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে সে বুঝতে পারল, ঘড়ি ঠিকই তার আপন গতিতে চলছে। মিনিটের কাঁটা বা ঘণ্টার কাঁটা কখনো তার মুখাপেক্ষী ছিল না। সেটা ছিল তার ভ্রান্ত ধারণা মাত্র। হয়তো সেকেন্ডের কাঁটা ছাড়া ঘড়ির সৌন্দর্য একটু খাপছাড়া হয়েছে, তবে কাজের দিক থেকে এখনো ঠিকঠাক।</p>



<h2 class="wp-block-heading">পর্ব ২</h2>



<p class="wp-block-paragraph">বিচ্ছিন্ন হয়ে যখন সে দেখল, তাকে ছাড়াই ঘড়ি ঠিকঠাক চলছে, তখন সে কিছুটা হতবাক হয়েছিল। সেই মুহূর্তে তার সামনে দুটি রাস্তা ছিল: হয় সবকিছু ভুলে ঘড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়া, নতুন জীবন শুরু করা, অথবা সবার কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে, ক্ষমা চেয়ে আবার নিজের জায়গায় ফিরে যাওয়া।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু সেকেন্ডের কাঁটার মনে ছিল অন্য কিছু। সে নিজেকে নত করতে কখনো রাজি ছিল না। হিংসা আর অহংকার তাকে পুরোপুরি গ্রাস করে ফেলেছিল। সে হয়ে উঠল প্রতিশোধপরায়ণ। মিনিট আর ঘণ্টার কাঁটার মাঝে সে এমনভাবে ঢুকে পড়ল যে নিজের ক্ষতি সত্ত্বেও তাদের জীবনকে থামতে বাধ্য করল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">ভেবেছিলাম, আর কিছুদিন পর আমিই ঘড়িটা ঠিক করে সেকেন্ডের কাঁটাকে তার জায়গায় বসাব। কিন্তু না, এমন মনোভাব যাদের, তাদের সংসারে জায়গা না দেওয়াই ভালো।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uponnas.com/seconder-kata/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কাকের গান গাওয়া</title>
		<link>https://uponnas.com/kaker-gan-gaowa/</link>
					<comments>https://uponnas.com/kaker-gan-gaowa/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md. Siddiq Hasan]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Oct 2026 10:29:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কল্পকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uponnas.com/kaker-gan-gaowa/</guid>

					<description><![CDATA[দুঃখ পেলেই যে কাক মনের সুখে গান গাইত, অন্যদের প্রশংসা শুনে একদিন সে নাম দিল গানের প্রতিযোগিতায়। তারপর কী হলো, সেই ছোট্ট গল্প।]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">কোনো এক রাজ্যে বাস করত এক কাক। সে দুঃখ পেলেই মনের সুখে গান গাইত। সেই গান শুনে কিছু কাক তাকে বলত, বাহ, তোমার গানের গলা তো অনেক সুন্দর! তুমি গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছ না কেন? এমন কথা কাক হেসেই উড়িয়ে দিত। বলত, কাকের আবার গানের প্রতিযোগিতা!</p>



<p class="wp-block-paragraph">যাই হোক, বেশ কিছু দিন অন্য কাকদের প্রশংসা শুনতে শুনতে তার চিন্তাধারায় পরিবর্তন এল। সেও মনে মনে ভাবতে শুরু করল, আমার তো গানের গলা খুব ভালো, আমারও উচিত গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া। প্রথম হয়েই গেলে তো হলোই। দ্বিতীয় বা তৃতীয় হলেও খারাপ না। এই পরিকল্পনা থেকে সে বছর যে গানের প্রতিযোগিতা হলো, সেখানে সে নাম দিল। প্রতিযোগিতার জন্য অনেক প্রস্তুতিও নিল। অপেক্ষা শেষে প্রতিযোগিতার দিন তার গান গাওয়ার ডাক এল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">সেই কাক মঞ্চে গিয়ে সবার সামনে তার &#8216;সুরেলা&#8217; কণ্ঠে গান গাওয়া শুরু করল। যেই না গান শুরু করল, সামনে থাকা শ্রোতারা তাকে নিয়ে হাসিতামাশা শুরু করল, কারণ কাকের সুরেলা কণ্ঠ কখনো সুরেলা হয় না। অনেকে পচা টমেটো ছুড়ে দিল তার দিকে। অবশেষে কাক লজ্জিত হয়ে মঞ্চ থেকে নেমে গেল।</p>



<h2 class="wp-block-heading">গল্পের শিক্ষা</h2>



<p class="wp-block-paragraph">পারিপার্শ্বিক প্রভাবে কারও কখনো নিজের প্রকৃত অবস্থান ভুলে যাওয়া উচিত নয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uponnas.com/kaker-gan-gaowa/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এক কেজি তরকারিতে দুই কেজি লবণ</title>
		<link>https://uponnas.com/ek-keji-torkari-dui-keji-lobon/</link>
					<comments>https://uponnas.com/ek-keji-torkari-dui-keji-lobon/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Md. Siddiq Hasan]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Oct 2026 10:16:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[কল্পকথা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://uponnas.com/ek-keji-torkari-dui-keji-lobon/</guid>

					<description><![CDATA[গ্রামের সবাই ঠিক করল ঝগড়াটে মহিলার সঙ্গে আর কথা বলবে না। কিন্তু ঝগড়া না করলে যার ভাত হজম হয় না, সে কি আর চুপ থাকে?]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="wp-block-paragraph">এক গ্রামে এক ঝগড়াটে মহিলা ছিল। সবার সঙ্গেই কারণে-অকারণে ঝগড়া করত। ঝগড়া করতে খুবই পছন্দ করত। ঝগড়া না করলে পেটের ভাত হজমই হতো না, এমন অবস্থা। সেই মহিলাকে নিয়ে পুরো গ্রামবাসী বিরক্ত। শেষে সবাই একটা সিদ্ধান্ত নিল: কেউ সেই মহিলার সঙ্গে কথা বলবে না, তাহলে আর ঝগড়া হবে না। তা-ই করল। কথা বলা বন্ধ করায় বেশ কিছুদিন ঝামেলা থেকে সবাই মুক্ত।</p>



<p class="wp-block-paragraph">কিন্তু এদিকে ঝগড়া করতে না পেরে মহিলার পেট ফুলে যাচ্ছিল। তাই একদিন একটা ফন্দি আঁটল। সে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বলতে লাগল, এক কেজি তরকারিতে দুই কেজি লবণ দিলাম, তা-ও নোনতা হলো না। এক কেজি তরকারিতে দুই কেজি লবণ দিলাম, তা-ও নোনতা হলো না&#8230; এভাবে বলতে বলতে সে হাঁটছে। এই কথা শুনে আরেক মেয়ে বলে বসল, এ কেমন কথা দিদি, এমন হয় নাকি?</p>



<p class="wp-block-paragraph">ব্যস! সেই মহিলা গলা চড়িয়ে শুরু করল: মরার ঘরের মরা, আমার তরকারির লবণ হয়নি তো তুই জানবি, নাকি আমি জানব? তুই দেখেছিস আমার তরকারি?</p>



<p class="wp-block-paragraph">তাতেই সেই মেয়ে বুঝল ভুলটা কোথায়, আর কথা না বলে চুপচাপ হেঁটে ঘরের ভেতরে চলে গেল।</p>



<p class="wp-block-paragraph">গল্প শেষ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://uponnas.com/ek-keji-torkari-dui-keji-lobon/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
