উদ্ভিদপ্রেমীর চোখে কার্জন হল

উপন্যাস অ্যাভাটার
পড়তে ৮ মিনিট
এই লেখায়

কার্জন হলে আপনারা অনেকেই গেছেন। লাল দালানটা দেখেছেন, চারপাশে হেঁটেছেন, তারপর ফিরে এসেছেন। কিন্তু বোটানির ছাত্র হলে একটা সমস্যা হয়। দালানের চেয়ে দালানের পাশের গাছগুলোর দিকে চোখ বেশি যায়, আর একবার গাছের দিকে চোখ গেলে তালিকা না করে শান্তি হয় না। ২০১৯ সালে একদিন ভাবলাম, কার্জন হলের গাছগুলোকে একটা একটা করে চিনে নিই। নাম দিলাম কার্জন হল অভিযান।

অভিযানের শুরু গেট দিয়ে ঢুকে হাতের বাম পাশ থেকে। সেদিন যা যা চোখে পড়েছিল, সেগুলোর নাম আগে লিখে ফেলি, তারপর একটা একটা করে গল্পে আসি।

বাম পাশে যা যা আছে

  • বড় গাছ: বকুল, আমলকি, তেঁতুল, সিলভার ওক, নাগেশ্বর, পিংক ক্যাসিয়া, শেওড়া, মেহগনি, পলাশ, নাগলিঙ্গম, রাজ কড়ই
  • মাঝারি গাছ: দেবকাঞ্চন, সাজনা, রাধাচূড়া, কুরচি, গন্ধরাজ, কামিনী, দাদমর্দন
  • ফুলের ঝোপ আর লতা: বাগান বিলাস, মধু লনিসেরা, মধুমঞ্জরী, নীলঘণ্টা, পেন্টাস, কলাবতী, কসমস, রঙ্গন, শ্বেত রঙ্গন, ধুতুরা
  • খাওয়ার কাজে লাগে এমন গাছ: পেঁপে, কলা, কফি, কারিপাতা

দেয়াল ঘেঁষে দেবকাঞ্চন থেকে তেঁতুল

কার্জন হলের বাম পাশের দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে দেবকাঞ্চন, বৈজ্ঞানিক নাম Bauhinia purpurea। আকারে খুব একটা বড় হয় না, খুব জোর ৪ থেকে ১২ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। দেবকাঞ্চনের ফুল খুব সুন্দর দেখতে, কিন্তু আমি একে সবচেয়ে সহজে চিনি এর পাতা দেখে। পাতাগুলো দেখলে মনে হয় দুইটা পাতাকে গোড়ার দিক থেকে একসঙ্গে জোড়া লাগানো হয়েছে, কিন্তু প্রান্তের দিকটা জোড়া লাগানো হয়নি। মানে মধ্যশিরা বরাবর একটা বড় খাঁজ আছে, যেটা তাকে আশপাশের অন্য গাছ থেকে আলাদা করে তুলেছে।

তারপর আসে বকুল গাছ। বকুল গাছকে কে না চেনে। খুব সুন্দর লম্বা গোলগাল একটা গাছ, বিজ্ঞানীরা একে Mimusops elengi নামে ভালো চেনেন। বকুল ফুলকে ছোটখাটো একটা সাদা শাপলার সঙ্গে তুলনা করলে ভুল হবে না, কিন্তু এর ঘ্রাণের কোনো জুড়ি নেই। আর ডালে ডালে যখন লাল লাল ফল ধরে থাকে, দেখতে খুব ভালো লাগে।

বকুলের পরেই দেখা মেলে সাজনার। Moringa oleifera নামটা দিয়ে গেছেন বিজ্ঞানী ল্যামার্ক। এই সাজনার গুণের শেষ নেই, আমাদের গ্রামের দিকে বাড়িতে বাড়িতে একটা করে সাজনা গাছ থাকেই। ভঙ্গুর কাণ্ডের জন্য সাধারণত খুব একটা বড় হয় না, তবে ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে দেখা যায়। কাণ্ড নিয়ে যখন বলছি, তখন আরেকটু বলি। কাণ্ড দেখেই দুর্বল মনে হয়, কিছুটা কর্কের মতো, যদিও কচি অবস্থায় একটু সবুজ রঙের হয়। এর পাতা দেখে অনেকে কড়ই ভাবতে পারেন, কিন্তু ভালো করে দেখলে বোঝা যায় কড়ইয়ের পাতার সঙ্গে সাজনা পাতার গঠন আর সজ্জায় একটু ভিন্নতা আছে। তা ছাড়া ফুলও তো আলাদা, উপযুক্ত পরিবেশে বছরে দুইবার ফুল দেখা দিতে পারে।

ও, সাজনার একটা গুণের কথা না বললেই নয়। এর বেঁচে যাওয়ার ক্ষমতা, মানে রিজেনারেশন পাওয়ার এতটাই বেশি যে মাত্র দেড় থেকে দুই হাত লম্বা একটা ডাল মাটিতে পুঁতে দিলেও সেখান থেকে নতুন গাছ জন্মায়। মজার বৈশিষ্ট্য না?

এরপর আমলকি বা আমলার কথা। Phyllanthus emblica নামের এই আমলকিকে অনেকেই চিনি, কিন্তু আমলকির গাছ দেখেছেন এমন মানুষ কয়জন আছেন? সমস্যা নেই, আজ এখানেই এর দেখা পাওয়া যাবে। আমলকির পাতা দেখে প্রথমে যৌগিক পাতা মনে হয়, আসলে সরু ডালের দুই পাশে ছোট ছোট সরল পাতা সারি করে সাজানো থাকে, আর দূর থেকে পুরো ডালটাকে দেখতে লাগে দ্বিধার করাতের মতো। গাছে যখন আমলকি পাকে তখন পাতা ঝরে গেলেও এত উঁচু গাছ থেকে আমলকি পাড়া খুব একটা সহজ কাজ না।

এই দিক দিয়ে আবার তেঁতুলের গাছ একটু রক্ষণশীল, পাতা দিয়ে তেঁতুলকে আড়াল করে রাখে। বৈজ্ঞানিক নাম Tamarindus indica। রাখবেই বা না কেন, বিশাল কাণ্ড, ২৪ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখার পরও পাশ দিয়ে হেঁটে গেলে একটা ঢিল ছুঁড়ে একটা তেঁতুল পেড়ে খেতে একবার না একবার মন চাইবেই।

পানি জারুল নামে যাকে চিনি তার বৈজ্ঞানিক নাম Lagerstroemia floribunda, অন্য নামও প্রচলিত আছে। জারুলের পরিবারের গাছ, তাই ফুলগুলো দেখতে জারুলের মতোই, কিন্তু সাদা আর গোলাপির দুই তিন রঙের মিশ্রণ একে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বেশ বড় ধরনের গাছ।

একটু ভেতরে পলাশ, কাঠগোলাপ আর নাগেশ্বরের সারি

পলাশের দেখা পাওয়া যায় একটু ভেতরের দিকে। Butea monosperma নামে খ্যাত এই পলাশের ফুল তো সবাই চেনেন, আর পলাশ নিয়ে যত গান আছে সেগুলোই বা কে না শুনেছে। পলাশ গাছ চেনার এক উপায় এর পাতা। একটা পাতায় তিনটা পত্রক, মাঝের পত্রকটার আকার দুই পাশের দুটোর থেকে একটু আলাদা, আর পত্রকগুলোর আকারটাও খুব মজার, গোলগাল, চ্যাপ্টা।

তার পাশে আছে গোলাপি কাঠগোলাপ। লাল আর গোলাপি মিশিয়ে সুন্দর এক রূপ হয়েছে তার। আরও বেশি জানতে চাইলে এর বৈজ্ঞানিক নামটা জেনে নিন, Plumeria rubra, এটাই হবে আপনার খোঁজার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

কার্জন হলের মাঝ দিয়ে চলে গেছে রাস্তা। সেই রাস্তার দুই পাশ জুড়ে সারি সারি লাগানো নাগেশ্বর, Mesua ferrea। খুব সুন্দর করে ছেঁটে গোলগাল বানিয়ে রাখা হয়েছে গাছগুলোকে। নাগেশ্বরের ফুল খুব সুন্দর হলেও আমাকে এর কচি পাতাগুলো বেশি টানে। পর্যায়ক্রমে এর রং বদলানো দেখতে ভালোই লাগে। প্রথমে কচি পাতাগুলো লাল, তারপর হালকা লাল, আর পরিণত বয়সে গিয়ে সবুজ। সেগুলো সবুজ হতে হতেই আবার নতুন কচি পাতা চলে আসে। আর গাছে তো মনে হয় সারা বছরই ফল ঝুলে থাকতে দেখি। টাটকা দুটো বীজ কুড়িয়ে একটায় আরেকটা বাড়ি দিলে ঠক করে একটা শব্দ হয়, শুনতে খুব ভালো লাগে।

মাঝখানের গাছগুলো, শেওড়া থেকে গগন শিরিষ

এতক্ষণ তো শুধু চারদিকের সীমানা ঘেঁষে থাকা গাছগুলোর কথা বলছিলাম। এসব গাছের মাঝে মাঝে আরও যে গাছগুলো আছে, তার একটা শেওড়া, Streblus asper। খুব পরিচিত একটা গাছ, কিন্তু যে কারণে এত পরিচিতি পেয়েছে, বাস্তবে এতে ভূত বলে কিছু থাকে না। আমি একে চিনি এর খসখসে পাতায়। বল্লম আকৃতির পাতা, আর কেমন একটা কুড়মুড়ে ভাব আছে। দূর থেকে অন্য গাছের চেয়ে একে একটু কালো বলে মনে হয়।

মেহগনি তো তার বিশাল দেহের জন্যই লাগানো হয়, বেশ ভালো মানের কাঠ পাওয়া যায়। মেলিয়েসি পরিবারের গাছ বলে পাতার গোড়ার এক পাশ একটু চাপা হয়, আর গায়ের বাকল ফেটে যায় বলে একে চিনতে মোটেও অসুবিধা হয় না। ও, এর ফলগুলো দেখে মনে হবে এক একটা মাইক্রোফোন, যেন সেগুলো দিয়ে সে সবার কথা শোনে।

Couroupita guianensis নামে যে আছে, সেই নাগলিঙ্গম বা ক্যানন বল গাছের বর্ণনা দেওয়ার আগে তার ফুলের কথা বলে ফেলি, কারণ এমন ফুল আর দ্বিতীয়টি আছে কি না সন্দেহ। চমৎকার তার গঠন, লাল পাপড়ি আর তার মাঝে অনেক অনেক পরাগধানী, খুব সুন্দরভাবে সাজানো। এর পাতাগুলোও তেলচকচকে, সুশ্রী। ফুলের দেখা না পেলে গাছে ঝুলতে থাকা কামানের গোলার মতো ফল দেখেও একে চেনা যায়।

দুই ধারে নাগলিঙ্গম, আর তাদের মাঝে কুরচি। শুদ্ধ ভাষায় Holarrhena antidysenterica, আজকাল অবশ্য Holarrhena pubescens নামটাই বেশি চলে, আর বাংলায় এর আরও কিছু নামের একটি হৈমন্তী। এই গাছের ফুল শুভ্র সাদার একটা সুন্দর উদাহরণ। যখন ফুল ধরে তখন পাতা ঝরে গিয়ে পুরো গাছ জুড়ে শুধু মন কাড়া সাদা সাদা ফুলের গুচ্ছ দেখা যায়।

এই কুরচির পাশেই আবার ইয়া লম্বা একটা রাজ কড়ই গাছ দাঁড়িয়ে আছে। আমার অবশ্য রাজ কড়ইয়ের চেয়ে গগন শিরিষ নামটাই বেশি পছন্দ। বৈজ্ঞানিক নাম Albizia richardiana। আমাদের ঢাকা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের বড় বড় গাছগুলোর মধ্যে এটা একটা। নিচে কোনো ডালপালা নেই, কাণ্ডটা একদম অনেক উঁচুতে গিয়ে তবে অল্প কিছু পাতা আর শাখা দেখা যায়। এতই উঁচু যে প্রতি বছর ফুল ফল হলেও এ পর্যন্ত আমার চোখে দেখার সৌভাগ্য হয়নি।

এবার ডান দিকে

এতক্ষণ শুধু বাম পাশই দেখলাম, এবার একটু ডান দিকেও দেখি কী আছে। ডান পাশে চোখ মেললেই প্রথম যা চোখে পড়ে, সেটা ইউক্যালিপটাস। লেবু পাতার সুগন্ধওয়ালা একটা গাছ, বৈজ্ঞানিক নাম Eucalyptus citriodora। দেখে মনে হয় কেউ এর গায়ে সাদা চুন লাগিয়ে দিয়েছে। বেশ লম্বা চওড়া গাছটা ভূতের মতো ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের এক কোনায় দাঁড়িয়ে আছে।

আর এই ডিপার্টমেন্টের সামনে আছে বসন্তমঞ্জরী। বসন্তমঞ্জরীর কাণ্ডটা দেখে হয়তো রোগাক্রান্ত হাড়ের মতো কোনো দেহ মনে হতে পারে, কিন্তু যখন এর গোলাপি ফুল আসে তখন এর রূপ হয়ে ওঠে আকর্ষণীয়।

তবে এই ডিপার্টমেন্টের শেষ প্রান্তে যার ফুল সব সময় চোখে পড়ে, সেটা কাঠগোলাপ। থোকায় থোকায় ধরে থাকে সাদা সাদা কাঠগোলাপ, বৈজ্ঞানিক নাম Plumeria alba। এর পাতার টিপটা সুচালো, আর Plumeria obtusa নামে যে কাঠগোলাপ দেখি, সেটার পাতার টিপ গোল।

বোতল পাম নামে এক গাছ আছে কার্জন হলের গেটের সামনে, নাম Roystonea regia। প্রথমে দেখে সাধারণ পাম গাছ বলে ভুল করেছিলাম, কিন্তু এর কাণ্ডটায় পাম কিংবা তাল গাছের থেকে একটু ভিন্নতা আছে। তা ছাড়া দ্রুত বাড়ে বলে এই গাছ এখন রাস্তার ধারেও বেশি লাগানো হচ্ছে।

চার বছর পর, বায়োকেমিস্ট্রি গেট দিয়ে

২০২৩ সালে আবার একদিন কার্জন হলে ঢুকলাম, এবার বায়োকেমিস্ট্রি গেট দিয়ে। এই গেট দিয়ে ঢুকলে প্রথমে পাবেন শিউলি, তারপর সামনে যেতে যেতে পাবেন সোনালু। বায়োকেমিস্ট্রির গেটের দিকে তাকালে পাবেন মনিহার, গগন শিরিষ আর সেই গগন শিরিষের গায়ে জন্মানো বটগাছ, তারপর সাইকাস। সামনে বোটানিক্যাল গার্ডেনের দিকে এগিয়ে এলে দেখতে পাবেন কাঠবাদাম, ছোট রাধাচূড়া, চালমুগরা। কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের দিকে চেয়ে দেখলে পাবেন নাগেশ্বর, পাইন গাছ, আর মাঝখানে একা দাঁড়িয়ে থাকা গাছটার নাম সিলভার ওক।

কেমিস্ট্রি আর বায়োকেমিস্ট্রির মাঝের রাস্তা ধরে হেঁটে এলে কেমিস্ট্রির দেয়ালের পাশে পাবেন শেওড়া আর গ্রিউয়িয়া। শ্বেতচিতা দিয়ে ঘেরা গোল চত্বরটায়, যার নাম স্বপ্ন চত্বর, পাবেন পান্থপাদপ, স্বর্ণচাঁপা আর কাঠগোলাপ। আরেকটু সামনে এসে রাস্তা যখন সয়েল আর বোটানির দিকে ভাগ হয়ে যায়, তখন সয়েলের দিকে তাকালে পাবেন তাল গাছ, বায়োকেমিস্ট্রির পেছনের দেয়াল ঘেঁষে কাঠগোলাপ আর বোটানির শেষ প্রান্তে আরেক কাঠগোলাপ। অবশ্য দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকলে সয়েলের চায়ের দোকানের ওই দিকে চেয়ে দেখলে বহেরার মস্ত বড় একটা গাছেরও দেখা পেতে পারেন। আর বোটানির দিকে হাঁটা শুরু করলে পাবেন কেমিস্ট্রির জানালার পাশে থাকা ড্রাসিনা, আর বোটানির ফলকের পাশে ও সীমানা ঘেঁষে বেশ কিছু দেবদারু গাছ।

সামনে অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রির দিকে তাকালে বিশাল একটা রেইনট্রি চোখে পড়বেই। বোটানি আর জুওলজির পথ ধরে হেঁটে এলে পর্যায়ক্রমে নাগেশ্বর, স্বর্ণচাঁপা, দেবদারু, লিচু, আর সদ্য লাগানো কুরচি ও ছোট জারুল, মানে ফুরুস গাছের দেখা পাবেন। ভালো করে দেখলে লিচু গাছের নিচে কাঁটামেহেদি দিয়ে লেখা Botany শব্দটাও চোখে পড়তে পারে। হাঁটতে হাঁটতে রাস্তা যখন ফজলুল হক হল আর জুওলজির দিকে ভাগ হয়ে যায়, সেখানে দাঁড়িয়ে হলের দিকে তাকালে কাঠগোলাপ, গেটের ভেতরে সারি সারি মেহগনি আর নাগেশ্বর, আর পুকুরের কিনারা ঘেঁষে নারিকেল আর সুপারির সারি দেখতে পাবেন।

জুওলজির দিকে তাকালে পর্যায়ক্রমে পলাশ, রয়েল পামের সারি, হলদে ঘণ্টা, আর শেষে বিশাল একটা রেইনট্রি। জুওলজির দেয়াল ঘেঁষে তুঁতফল আর বসন্তমঞ্জরীর সঙ্গে বাগান বিলাসেরও দেখা পাবেন। নিচের দিকে তাকালে গোলাপি সুখদর্শন আর লঙ্কাজবা। আর ভালো করে দেখলে বুঝবেন, জুওলজির শেষ প্রান্তে একটা বড় বকুল গাছও আছে। অভিযান শুরু হয়েছিল বাম পাশের দেয়ালের বকুল দিয়ে, শেষও হলো এক বকুলে এসে। এত নাম লেখার পরও আমার ধারণা অর্ধেক গাছ বাদ পড়ে গেছে, পরের বার গেলে সেগুলোর পালা।

উপন্যাস অ্যাভাটার

লিখেছেন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।