লাওয়াছড়া বন ছিল আমাদের তিন দিন দুই রাতের সিলেট শিক্ষাসফরের সর্বশেষ গন্তব্য।
নিরিবিলি পরিবেশের উত্তম উদাহরণ। চারপাশে পাখিদের কলকাকলির সঙ্গে সঙ্গে শোনা যায় ঝিঁঝিঁ পোকার সেই মনোমুগ্ধকর ডাক। এই ধরনের পরিবেশ সবার ভালো লাগাই স্বাভাবিক।
তা ছাড়া পরিচিত-অপরিচিত, দেশি-বিদেশি, ছোট থেকে বিশাল আকারের অসংখ্য গাছপালার এক সংগ্রহশালাও বটে।
যে গাছগুলোর নাম লিখে রাখতে পেরেছি
এত গাছের মধ্যে আমি মাত্র কয়েকটিরই নাম লিপিবদ্ধ করতে পেরেছি:
- সেগুন (Tectona grandis)
- বাটনা (Castanopsis indica)
- গর্জন (Dipterocarpus turbinatus)
- রক্তন (Lophopetalum fimbriatum)
- আফ্রিকান টিকওক (Chlorophora spp.)
- জাই বাঁশ (Bambusa vulgaris)
- ডেওয়া (Artocarpus lacucha)
- মেহগনি (Swietenia mahagoni)
- গোলাপজাম (Syzygium jambos)
- লোহাকাঠ
- ভুতুম (Hymenodictyon excelsum)
- পামওয়েল
- বন পেঁপে
- মিতিঙ্গা বাঁশ (Bambusa tulda)
- জারুল (Lagerstroemia speciosa)
- চাপালিশ
- লটকন (Baccaurea ramiflora)
- কদম (Neolamarckia cadamba)
- টরলা বাঁশ (Bambusa burmanica)
- পিতরাজ (Aphanamixis polystachya)
- সুন্দরী (Heritiera fomes)
- বাঁশপাতা (Podocarpus neriifolius)
- তেলসুর (Hopea odorata)
- কাঁকড়া গাছ
এখানে ১৯৮১ সালের পরীক্ষামূলক বাঁশবাগানও আছে, আয়তন ১০ একর, যেখানে ৮টি বাঁশের প্রজাতি আছে। তা ছাড়া খাসিয়া জনগোষ্ঠীর ছোট একটি গ্রাম আছে, কিন্তু সময়স্বল্পতার জন্য দেখা হয়নি।
যাই হোক, সব মিলিয়ে ভালোই কেটেছে দিনটা।

মন্তব্য করুন