সব লেখা
সব লেখা, নতুনগুলো আগে।
সুখদর্শনের সময় হয়েছে
অক্টোপাসের মতো ছড়ানো সাদা ফুল, না ফোটা ম্যাজেন্টা কুঁড়ি, আর ভয় ধরানো এক নাম, পয়জন বাল্ব। ক্যাম্পাসের স্পাইডার লিলিদের পেছনে আমার ছোটাছুটির গল্প।
অপরিচিতা মধু লনিসেরা
কার্জন হলে আমাদের আড্ডার জায়গার পাশের একটা লতা পুরো এক বছর নিজের নাম লুকিয়ে রেখেছিল। শেষে সাদা থেকে সোনালি হয়ে যাওয়া ফুলই তার পরিচয় ফাঁস করে দিল।
স্বর্ণচাঁপার ঘ্রাণের মোহে
প্রথম বর্ষে লেকচার যখন বিরক্তিকর হয়ে উঠত, জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকতাম সোনালি ফুলে ভরা লম্বা একটা গাছের দিকে। স্বর্ণচাঁপা আর তার ভোলা যায় না এমন ঘ্রাণের গল্প।
ভূঁই আমলার নাম শুনেছেন?
কয়েক সপ্তাহ ধরে ভূঁই আমলাকে তার মতো দেখতে গাছগুলো থেকে আলাদা করতে পারিনি। পাতার নিচে ফুল লুকিয়ে রাখা ছোট্ট একটা আগাছা শেষে কীভাবে পুরোনো বন্ধু হয়ে গেল, সেই গল্প।
ভালোবাসার রক্তচন্দন
এক আত্মীয়ের গ্রামের বাড়িতে দেখেছিলাম, বাচ্চারা লাল জেমস চকলেটের মতো কিছু নিয়ে খেলছে। অনেক বছর পর ভার্সিটিতে এসে খুঁজে পেলাম সেই ভালোবাসার বীজের গাছটাকে।
উদাল আর পাথরকুচির দেখা
শামীমের ক্যামেরা দেখে মনে পড়ল, উদাল গাছে ফুল ধরেছে। ছবি তুলতে গিয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনে আরেকটা চমক পেলাম, ফুল ফোটা এক পাথরকুচি।
এক ঝলক বলধা গার্ডেন
উদ্ভিদ চত্বরের সঙ্গে একদিন বলধা গার্ডেনে গিয়েছিলাম। গেটের সামনে লম্বা অপেক্ষা, তারপর সাইকি আর শিবলির নানা গাছের দেখা।
চুন মাখানো ইউক্যালিপটাস
ছোটবেলায় ভাবতাম গাছটাকে কেউ চুন মাখিয়ে দিয়েছে। অনেক বছর পর একটা পাতার লেবুর মতো ঘ্রাণ থেকে জানলাম, এটা লেমন ইউক্যালিপটাস।
সেই বুনো সবজির গাছটা
অফিস থেকে ফেরার পথে ফুটপাতের দোকানে হঠাৎ ছোটবেলায় খাওয়া একটা বুনো সবজি চোখে পড়ল। সেটা কিনতে গিয়ে মনে এল হারিয়ে যেতে বসা এমন সব সবজির কথা।
গর্জনেরও ফুল হয়
মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে একটা মিষ্টি ঘ্রাণের খোঁজ করতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা কিছু ফুল পেলাম। ফুলগুলো ঝরেছিল অনেক উঁচু এক গর্জন গাছ থেকে।
